বর্তমান যুগে
নিজেকে স্লিম এবং সুস্থ রাখতে কে না চায়। আর নিজের এই সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে, ওজন কমানোর জন্য কত কিছুই না আমরা করে থাকি।
এটা কোনও ব্যাপার না যে আপনার যতই উচ্চ প্রেরণা থাকুক ওজন কমানো এবং শরীর সুস্থ থাকার
জন্য, যদিবা আপনি
আপনার রুটিন মাফিক খাবার পছন্দ না করেন, সেক্ষেত্রে আপনি যতো দ্রুত সম্ভব আপনি আপনার খাদ্য পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে
পারেন।
জেড টেটা, এনডি, এবং কএনি টেটা, এনডি তাদের নতুন বই- “দা মেটাবলিক সিক্রেট টো টার্গেট স্তাব্বন ফ্যাট অ্যান্ড ফিক্স ইউর প্রবলেম“ এ লিখেছেন যে-“ উপযুক্ত খাবার খাওয়া মানেই এই নই যে আপনার খাদ্যাভ্যাশ পরিবর্তন করে আপনি শুধু সিদ্ধ মুরগীর মাংস এবং বিরক্তিকর লেটুস পাতা খাবেন। মশলাযুক্ত খাবার যে কেবল খাবারের স্বাদ এই বৃদ্ধি করে তা নয়, কিন্তু এছাড়াও কিছু মসলা আছে যেগুলো প্রকৃতপক্ষে বেশ উপকারী।
সুতরং, কোন মসলাগুলো আপনি আপনার রান্নাঘরে মজুদ রাখবেন যা আপনার খাদ্যকে সুস্বাদু করবে এবং শরীরকে সুস্থ রাখবে? এখানে জেড এবং কেওনি এর প্রিয় উপায় আছে যা আপনার খাদ্যর স্বাদ এবং পুষ্টি যোগাবে, এছাড়াও ওজনও কমাবে:
ভিনেগার:
এটা আপনার হজমে সহায়তা করে এবং রক্তে চিনি এবং ইনসুলিনের প্রতিক্রিয়া হ্রাস করতে পারে। আপনি সালাদ তৈরিতে ভিনেগার সালাদ ড্রেসিং হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
দারুচিনি:
দারুচিনিও ভিনেগারের মতো একই কাজ করে। আপনি ইহা সকালে ওটমিলে ব্যবহার করে খেতে পারেন।
জাফরান:
এর সুগন্ধ খাবারে অন্য মাত্রার স্বাদ যোগ করে, এবং গবেষণায় দেখা গেছে যে ইহা ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে থাকে।
কোকো পাউডার:
এটাও আপনার খুদাকে দমন করতে সাহায্য করবে।
হলুদ:
গবেষণায় দেখা গেছে যে হলুদ শরীরের জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে।
আদা:
এটা শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং পরিপাকক্রিয়া সচল রাখে।
রসুন:
রসুন সালফারের প্রধান উৎস। আপনার শরীরে অতিরিক্ত মেদ কমাতে রসুনের ভুমিকা অপরিসীম। ইহাতে অ্যান্টিঅক্সিডেনট ও রয়েছে।
পেঁয়াজ:
পেঁয়াজেও ঠিক রসুনের মতো একি কাজে সাহায্য করে থাকে।
লেবু:
এটা আমাদের শরীরে জমে থাকা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
গোলাপজল:
এটা আপনার হার্ট এবং রক্ত চাপ ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
সুগন্ধ গুল্ম(থিমি):
এই গুল্মে অ্যান্টিঅক্সিডেনট রয়েছে জার অনেক ওষধি গুন রয়েছে।
পুদিনা:
পুদিনা পাতায় অনেক ওষধি গুন রয়েছে। হার্ট সুস্থ রাখার জন্য এটার ভুমিকা অপরিসীম। এছাড়াও এতে অ্যান্টিঅক্সিডেনট আছে।
ওরেগোনা:
অরেগনাতেও প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ত রয়েছে।
সুতরং পরিশেষে বলা যায়, মসলা কেবল রান্নার স্বাদ বাড়ানোর কাজেই করে না এগুলো আমদের শরীরকে সুস্থ, সুন্দর এবং স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
জেড টেটা, এনডি, এবং কএনি টেটা, এনডি তাদের নতুন বই- “দা মেটাবলিক সিক্রেট টো টার্গেট স্তাব্বন ফ্যাট অ্যান্ড ফিক্স ইউর প্রবলেম“ এ লিখেছেন যে-“ উপযুক্ত খাবার খাওয়া মানেই এই নই যে আপনার খাদ্যাভ্যাশ পরিবর্তন করে আপনি শুধু সিদ্ধ মুরগীর মাংস এবং বিরক্তিকর লেটুস পাতা খাবেন। মশলাযুক্ত খাবার যে কেবল খাবারের স্বাদ এই বৃদ্ধি করে তা নয়, কিন্তু এছাড়াও কিছু মসলা আছে যেগুলো প্রকৃতপক্ষে বেশ উপকারী।
সুতরং, কোন মসলাগুলো আপনি আপনার রান্নাঘরে মজুদ রাখবেন যা আপনার খাদ্যকে সুস্বাদু করবে এবং শরীরকে সুস্থ রাখবে? এখানে জেড এবং কেওনি এর প্রিয় উপায় আছে যা আপনার খাদ্যর স্বাদ এবং পুষ্টি যোগাবে, এছাড়াও ওজনও কমাবে:
ভিনেগার:
এটা আপনার হজমে সহায়তা করে এবং রক্তে চিনি এবং ইনসুলিনের প্রতিক্রিয়া হ্রাস করতে পারে। আপনি সালাদ তৈরিতে ভিনেগার সালাদ ড্রেসিং হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
দারুচিনি:
দারুচিনিও ভিনেগারের মতো একই কাজ করে। আপনি ইহা সকালে ওটমিলে ব্যবহার করে খেতে পারেন।
জাফরান:
এর সুগন্ধ খাবারে অন্য মাত্রার স্বাদ যোগ করে, এবং গবেষণায় দেখা গেছে যে ইহা ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে থাকে।
কোকো পাউডার:
এটাও আপনার খুদাকে দমন করতে সাহায্য করবে।
হলুদ:
গবেষণায় দেখা গেছে যে হলুদ শরীরের জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে।
আদা:
এটা শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং পরিপাকক্রিয়া সচল রাখে।
রসুন:
রসুন সালফারের প্রধান উৎস। আপনার শরীরে অতিরিক্ত মেদ কমাতে রসুনের ভুমিকা অপরিসীম। ইহাতে অ্যান্টিঅক্সিডেনট ও রয়েছে।
পেঁয়াজ:
পেঁয়াজেও ঠিক রসুনের মতো একি কাজে সাহায্য করে থাকে।
লেবু:
এটা আমাদের শরীরে জমে থাকা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
গোলাপজল:
এটা আপনার হার্ট এবং রক্ত চাপ ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
সুগন্ধ গুল্ম(থিমি):
এই গুল্মে অ্যান্টিঅক্সিডেনট রয়েছে জার অনেক ওষধি গুন রয়েছে।
পুদিনা:
পুদিনা পাতায় অনেক ওষধি গুন রয়েছে। হার্ট সুস্থ রাখার জন্য এটার ভুমিকা অপরিসীম। এছাড়াও এতে অ্যান্টিঅক্সিডেনট আছে।
ওরেগোনা:
অরেগনাতেও প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ত রয়েছে।
সুতরং পরিশেষে বলা যায়, মসলা কেবল রান্নার স্বাদ বাড়ানোর কাজেই করে না এগুলো আমদের শরীরকে সুস্থ, সুন্দর এবং স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন